রণক্ষেত্র পার্ক সার্কাস, কীভাবে নিয়ন্ত্রণে আনতে হয় বুঝিয়ে দিল শুভেন্দুর পুলিশ।
![]() |
| ছবি: এ আই দিয়ে বানানো, ঘটনার সাথে ছবির মিল থাকলে আমরা দায়ী নয়। |
Bengal Focus: কলকাতার পার্ক সার্কাস সেভেন পয়েন্ট সোমবার কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। তিলজলায় বেআইনি নির্মাণ ভাঙাকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিক্ষোভ মুহূর্তের মধ্যে হিংসাত্মক রূপ নেয়। অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশের উপর চড়াও হয় দুষ্কৃতীরা। শুরু হয় ইটবৃষ্টি, ভাঙচুর করা হয় পুলিশের গাড়ি ও রাস্তার বাস। পরিস্থিতি সামাল দিতে নামতে হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী ও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তিলজলার অবৈধ নির্মাণে বুলডোজার চালানোর প্রতিবাদে পার্ক সার্কাসে বেআইনি জমায়েত করা হয়েছিল। বিক্ষোভকারীরা রাস্তা অবরোধের চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের সরাতে যায়। সেই সময়ই আচমকা পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশের দাবি, একদল দুষ্কৃতী পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। ইট ছোড়া হয় পুলিশকে লক্ষ্য করে। ঘটনায় অন্তত তিনজন পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন। ঘটনার পর কড়া বার্তা দিয়েছেন অশেষ বিশ্বাস। কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত সিপি অশেষ বিশ্বাস স্পষ্ট জানিয়েছেন, হামলাকারীদের কাউকেই রেহাই দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, “এর পিছনে কারা রয়েছে, আমরা খতিয়ে দেখছি। সবাইকে গ্রেফতার করা হবে। কড়া পদক্ষেপ করা হবে।” পুলিশের দাবি, স্থানীয়দের পাশাপাশি বাইরে থেকেও বহু লোক এই বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিল। আগে থেকেই গোয়েন্দা তথ্য থাকায় পুলিশ প্রস্তুত ছিল বলেই বড়সড় বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়েছে। অশেষ বিশ্বাস জানান, “আমাদের কাছে ইন্টেলিজেন্সের তথ্য ছিল। আমরা তৈরি ছিলাম। সেজন্য বড় কিছু হয়নি।” ঘটনার পর এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে টহলদারি বাড়ানো হয়েছে। ইতিমধ্যেই কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে আরও অভিযুক্তদের শনাক্ত করার কাজ চলছে। এদিকে পুলিশের লাঠিচার্জ নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। যদিও সেই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে অশেষ বিশ্বাস স্পষ্ট জানান, “পুলিশের উপর হামলা হলে লাঠিচার্জ হবেই। জেন্ডার দেখা হবে না।” এই ঘটনার জেরে আবারও প্রশ্ন উঠছে কলকাতায় বেআইনি জমায়েত ও হিংসাত্মক বিক্ষোভ নিয়ে। প্রশাসনের তরফে স্পষ্ট বার্তা, আইন হাতে তুলে নিলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Bengal Focus: It's an online news portal. আমাদের উদ্দেশ্য সঠিক তথ্য মানুষের সামনে তুলে ধরা। কোনো হিংসা ছড়ানো আমাদের উদ্দেশ্য নয়। আমরা চাই আইন মেনে পশ্চিমবঙ্গ তথা ভারতের সকল মানুষ শান্তিপূর্ণ ভাবে বসবাস করুক। ধন্যবাদ।
